যখন MACD সূচকটি সবেমাত্র শূন্যের নিচের দিকে নামতে শুরু করেছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1872-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরো বিক্রির জন্য সঠিক এন্ট্রি পয়েন্ট নিশ্চিত করেছিল। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য মাত্র 10 পিপস কমেছে।
গতকাল বিকেলে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটে সর্বশেষ মার্কিন প্রতিবেদনের ফলাফলের প্রভাবে সামান্য ওঠানামা দেখা গেছে। শ্রমবাজারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে গণ্য প্রাথমিক জবলেস ক্লেইমস সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। এই প্রতিবেদনের ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে হতাশাজনক না হওয়ায় তা সামান্য হলেও মার্কিন ডলারের জন্য দৃশ্যমান সহায়তা প্রদান করেছে। যদিও এই মুভমেন্টটি সীমিত ছিল, তবু এটি মার্কেটের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদ নির্দেশ করে। এই সপ্তাহে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে শ্রমবাজারের নেতিবাচক পরিস্থিতির হ্রাস বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ কিছুটা লাঘব করতে পেরেছে এবং ডলারের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়েছে।
আজ ট্রেডাররা ইউরোজোন থেকে প্রকাশিতব্য গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক প্রতিবেদনগুলোর উপর দৃষ্টিপাত করছে। মূল প্রতিবেদন ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকের জিডিপি প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। তৃতীয় প্রান্তিকের তুলনায় এবার 0.3% প্রবৃদ্ধির প্রাথমিক পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, পূর্বাভাসের তুলনায় এই প্রতিবেদনের ফলাফল উল্লেখযোগ্যভাবে ভিন্ন হওয়ার সম্ভবনা কম বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
জিডিপি প্রতিবেদনের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের হার পরিবর্তন সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। এছাড়া ট্রেড ব্যালেন্স সংক্রান্ত প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হবে—এই সূচক থেকে দেখা যাবে রপ্তানির হার কি আমদানির হারকে অতিক্রম করে কি না, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের সাথে নতুন বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের পরিপ্রেক্ষিতে যা এখনও "মুলতুবি" অবস্থায় রয়েছে।
দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1893-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1874-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1893-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1855-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1874 এবং 1.1893-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1855-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1835-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ার চাপের সম্মুখীন হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1874-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1855 এবং 1.1835-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
