Očekává se, že prezident Trump podepíše výkonné nařízení, které odloží uplatnění zákona, který by mohl zakázat nebo vynutit prodej TikToku, zatímco obchodní jednání s Čínou pokračují. Tato informace pochází ze zdrojů obeznámených s prezidentovým plánem, jak uvádí Wall Street Journal.
Jednalo by se o třetí prodloužení od Trumpova nástupu do úřadu v lednu. Současné prodloužení má vypršet 19. června.
উইকেন্ডের পর সোমবার শুধুমাত্র মার্কেটে ট্রেডিং শুরু হওয়ার সময় যুক্তিসঙ্গতভাবে GBP/USD পেয়ারের ট্রেডিং পরিলক্ষিত হয়েছে। সারাদিন জুড়ে আবারও মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে, যা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করা যাচ্ছেনা। তবে ঘন্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে বর্তমান প্রবণতা অনুসারে সবকিছুই যৌক্তিক। যুক্তরাজ্যে প্রকাশিত প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ পাউন্ড অব্যাহতভাবে দরপতনের শিকার হচ্ছে, আর যেকোনো প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে মার্কিন ডলারের মূল্য বাড়ছে। অতএব, টেকনিক্যাল দিক থেকে বর্তমান মুভমেন্টকে যুক্তিসঙ্গত বলা যেতে পারে, কিন্তু মৌলিক বা সামষ্টিক দিক থেকে তা প্রযোজ্য নয়। ফলে, আগের মতই আমরা কেবল এই পেয়ারের মূল্যের উর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রত্যাশা করছি, কিন্তু মূল্য বৃদ্ধির জন্য অন্তত ট্রেন্ড লাইন ব্রেক করে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া দরকার। এই সপ্তাহে তুলনামূলকভাবে স্বল্প সংখ্যক গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন প্রকাশের কথা রয়েছে, এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করলেও মার্কিন ডলারের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি। তাই এখন সবচেয়ে ভাল উপায় হলো মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের মধ্যে আবদ্ধ না থেকে টেকনিক্যাল লেভেল ও এরিয়াগুলোর ওপর ভিত্তি করে ট্রেড করা।

সোমবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে পাঁচটি ট্রেডিং সিগন্যাল তৈরি হয়েছিল। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশনের ঠিক শুরুতেই এই পেয়ারের মূল্য 1.3529-1.3543 এরিয়া থেকে বাউন্স করেছে, পরে দরপতনের শিকার হয়ে 1.3484-1.3489 এরিয়া ব্রেক করে ফেলেছে। কিন্তু এই দরপতন দীর্ঘস্থায়ী ছিল না। মাত্র 30 মিনিট পর একটি বাই সিগন্যাল গঠিত হয়। তবুও শর্ট পজিশন থেকে মুনাফা হয়েছে। পরবর্তীতে এই পেয়ারের মূল্য 1.3484-1.3489 এরিয়া থেকে আরও দুইবার বাউন্স করেছে, কিন্তু পরবর্তীতে আমরা কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট দেখতে পাইনি।
ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। মধ্যমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো ভিত্তি দেখা যাচ্ছে না, ফলে আমরা আশা করছি যে ২০২৫ থেকে চলমান বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা ২০২৬ সালের অব্যাহত থাকবে, যা এই পেয়ারের মূল্যকে অন্তত 1.4000 পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্রিটিশ মুদ্রার সার্বিক পরিস্থিতি বিশেষভাবে অনুকূল ছিল না, কিন্তু মার্কেটের ট্রেডাররা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতিবাচক সংবাদগুলো উপেক্ষা করে চলেছে।
মঙ্গলবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3484-1.3489 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেট করলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3529-1.3543-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়। এই পেয়ারের মূল্য 1.3484-1.3489 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করলে শর্ট পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.3437-1.3446-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যায়।
৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে 1.3319-1.3331, 1.3365, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, 1.3741-1.3751, 1.3814-1.3832, 1.3891-1.3912, 1.3975। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ADP শ্রমবাজার প্রতিবেদন ছাড়া কোনো উল্লেখযোগ্য ইভেন্ট নির্ধারিত নেই বা আর কোনো প্রতিবেদনও প্রকাশিত হবে না। অতএব, আজ মার্কেটে খুব বেশি অস্থিরতার সম্ভাবনা নেই।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।