I po spočítání květnových čísel je Česká republika první v žebříčku zemí Evropské Unie podle procentuálního nárůstu registrací bateriových elektromobilů při srovnání stejných období letoška a loňska.
বুধবার মার্কিন ও ইরান সংঘাতের ব্যাপারে ইতিবাচক সংবাদপ্রবাহের মধ্যে GBP/USD পেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে এটি এখন স্পষ্ট যে ট্রেডাররা সাধারণত ইতিবাচক সংবাদ ও ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাগুলো উপেক্ষা করছে না; বরং তাঁরা জল্পনা-কল্পনা ও গুজবের চেয়ে বাস্তব ঘটনা ও তথ্যকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। এর একটি প্রধান উদাহরণ হলো ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যসমূহ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রায় প্রতিদিনই বহুবিধ স্ববিরোধী মন্তব্য করেন, যেগুলোর প্রতি ট্রেডাররা খুব বেশি আস্থা রাখতে পারছে না। ফলে, মার্কিন ডলারের মূল্য বাড়ছে না, কারণ বর্তমানে এটির দর বৃদ্ধির জন্য তেমন কোনো কারণ নেই—ভূ-রাজনৈতিকভাবেও নয়। ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্যেরও উর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে, তবে কোনো স্থানীয় অনুঘটক না থাকার কারণে মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে না। গতকাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ADP থেকে শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু এটি সর্বদা নন-ফার্ম পে-রোলের তুলনায় স্বল্প গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এই সূচক দুটির ফলাফল খুব বিরল ক্ষেত্রেই সঙ্গতিপূর্ণ হয়ে থাকে, তাই ADP প্রতিবেদনের শক্তিশালী ফলাফল নন ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল নিশ্চিত করে না।

বুধবার 5-মিনিট টাইমফ্রেমে একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়। ইউরোপীয় ট্রেডিং সেশন চলাকালে ব্রিটিশ কারেন্সির মূল্য 1.3587-1.3598 এরিয়া অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছিল, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্য অতিরিক্ত 30 পিপস বৃদ্ধি পায়। তবে এই উর্ধ্বমুখী প্রবণতা দ্রুত ম্লান হয়ে যায় এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই পেয়ারের মূল্য আবার 1.3587-1.3598 রেঞ্জে ফিরে আসে।
ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকলেও গত তিন সপ্তাহ ধরে সাইডওয়েজ চ্যানেলের মধ্যে ট্রেডিং পরিলক্ষিত হচ্ছে। আমরা ধারণা করছি যে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার মাত্রা গুরুতরভাবে না বাড়লে ফেব্রুয়ারি ও মার্চে মার্কিন ডলারের দর যতটুকু বৃদ্ধি পেয়েছে তা আর ধরে রাখা সম্ভব হবে না। তবে পৃথক ঘটনার ভিত্তিতে মাঝেমধ্যে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পেতে পারে, যদিও সামগ্রিকভাবে মার্কেটে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের প্রভাব অনেকটা কমে গেছে। দৈনিক ও সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে পরিলক্ষিত প্রবণতা অনুযায়ী ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনাই বেশি।
বৃহস্পতিবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3587-1.3598 এরিয়ার নিচে কনসলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3456-1.3476 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3587-1.3598 এরিয়ার উপরে কনসলিডেট করে, তাহলে লং পজিশন বিবেচনা করা যেতে পারে , যেখানে মূল্যের 1.3695 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3175-1.3180, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3380-1.3386, 1.3456-1.3476, 1.3587-1.3598, 1.3695, এবং 1.3741-1.3751। আজ যুক্তরাজ্যে তেমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে জবলেস ক্লেইমস সম্পর্কিত একটি স্বল্প গুরুত্বসম্পন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। আজ সম্ভবত এই পেয়ারের মূল্য স্থবির থাকবে, যদি না ভূ-রাজনৈতিক ঘটনাগুলো কোনো প্রভাব ফেলে।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।